নির্বাচন বঞ্চিত এবং জনবিচ্ছিন্ন হয়ে খালেদা জিয়া এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন। তিনি মানসিকভাবে এতটাই ভেংগে পড়েছেন যে তার অবস্থা এখন অনেকটা কিংকর্তব্যবিমুড়। যথাসময়ে সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হলো, সবদলের অংশগ্রহণে নতুন সংসদ হলো, নতুন মন্ত্রীসভা হলো, নতুন সরকার গঠিত হলো, সমগ্র বিশ্ব নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানালো কিন্তু খালেদা জিয়া কিছুই পেলেন না। এহেন অবস্থায় তার মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়াটাই স্বাভাবিক। এমনটাই জানালেন  বিএনপির স্থায়ী কমটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

তিনি বলেন, এজন্যই খালেদা জিয়া বিভিন্ন জায়গায় পাগলের প্রলাপ করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তার এসমস্ত প্রলাপে এখন আর কিছু হবার নয় সেটা তিনি বুঝতে চেষ্টা করছেন না। হয়তো আন্তসন্তুষ্টির জন্যই তিনি এমন করছেন।তাই আমরা তাকে বাঁধা দিচ্ছি না। কিন্তু এসমস্ত পাগলের প্রলাপ যে তাকে হাসির উৎস করে তুলছে সেটা বুঝলে হয়তো তিনি এমন করতেন না। তিনি নিজেতো পাগল হয়েছেনই সাথে তার সাথে দলটিকেও জনগন থেকে দূরে সরিয়ে ছাড়লেন। সেজন্য এখন দলের বিভিন্ন নেতারাও তারই মতো প্রলাপ করছেন।

খালেদার ভুলের জন্যই বিএনপি নামক দলটি বাংলাদেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। ব্যপারটা একবারে খারাপ। দেশের জনগন সন্ত্রাস, দুর্নীতি আর দম্ভের রাজনীতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিএনপিকে চায় কিন্তু এমন মানসিক ভারসাম্যহীন নেত্রী দলে থাকলে তা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি । বিএনপি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার জন্য খালেদা জিয়াকেই দোষারোপ করলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া যতই প্রলাপ করুন না কেন, কোন লাভ হবার নয়, বিএনপি আমরাই নিয়ন্ত্রন করবো। তবে তার অবশিষ্ট আরেক দল জামাতের আঁচল ধরে আছেন তা থেকে উঠার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তবে তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।  জনগন খালেদা জিয়াকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। জামাতের আঁচল ধরে উঠতে চাইলে গদিতে নয় সরাসরি যেতে হবে শ্মশানে। মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হন আর যাই হোন, এই বিষয়টি মাথায় না রাখলে কিন্তু ধ্বংস অনিবার্য বলে পরামর্শও দেন।

comments