করোনার পর আন্দোলন নিয়ে মির্জা আব্বাসের বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রলের শিকার বিএনপি

0
8501
বিএনপি

২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছরই ঈদের পর কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়ে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলটির নেতা-কর্মীদের নানা রকমের ট্রলের শিকার হতে হয়। এরকম বাস্তবতায় দলটি তার পুরনো স্ট্রেটেজি থেকে সরে এসে করোনার পর আন্দোলনে নামার কথা বলছে। কিন্তু বিএনপি করোনার পর আসলেই আন্দোলনে নামবে নাকি এটিও ঈদের পরের আন্দোলনের মতোই, এ নিয়ে রাজনৈতিক সচেতন অনেকেরই সন্দেহ আছে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বলেছেন, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আপাতত আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। সংক্রমণ একটু হ্রাস পেলে দেখবেন আন্দোলন কাকে বলে। আন্দোলনের তোড়ে এই সরকার ভেসে যাবে। এ রকম কথা শুধু মির্জা আব্বাসই একা বলেননি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিংবা রুহুল কবির রিজভীও একাধিক বার বলেছেন।

কিন্তু আন্দোলন করতে যে ধরণের সাংগঠনিক সক্ষমতা, নেতৃত্ব দরকার হয় তা কি বিএনপির মধ্যে অবশিষ্ট আছে? ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের পর থেকে ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। গত ১৫ বছরে বিএনপি বড় ধরণের কোনো আন্দোলন করতে পারেনি। এর মধ্যে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেয় দলটি। সেই ​আন্দোলনটি সহিংস রূপ নেয়। ঐ সময়ে বিএনপি-জামায়াতের দুই মাসের টানা অবরোধে নিহত হয়েছিলেন ১১৫ জন। এদের মধ্যে ৯০ জনই ছিল সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া পেট্রলবোমায় দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন ৬২ জন। ফলে মানুষ এ সহিংস অবরোধকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে তাদের এ সহিংস অবরোধ কার্যক্রম থেকে সরে আসতে হয়। সে অবরোধ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেয়া হবে তা দলটির কোনো নেতারই জানা নেই। এরপর থেকে আর মাঠে নামতে পারেনি দলটি।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here