সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতিয়ার বানানোর পায়তারায় বিএনপি

0
1

কোনভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না বিএনপি। দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালদা জিয়া এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে জেল খাটছেন বর্তমানে। বেগম জিয়া জেলে গেলেও আন্দোলনের কথা বলেও বিএনপির ডাকে কোন সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা তার দলের নেতা-কর্মীরাই রাস্তায় নামেনি।

ঈদের পর আন্দোলন এই কথা বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সিনিয়র নেতারা বলে আসছে বিগত ১০ বছর ধরে। এখন ঈদের পর আন্দোলন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি হাস্যরসাত্মক বাক্যে পরিণত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে একাদশ নির্বাচনও সামনে চলে আসছে। এখনও দৃশ্যত বিএনপির মাঠে কোন কার্যক্রম নেই। ঘুরে দাঁড়াতে চাইলে এখনই কিছু করার তাগিদ অনুভব করছেন বিএনপির অনেক সিনিয়র নেতারা। তাই তারা সর্বশেষ নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উপর ভর করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

এরই মধ্যে কোমলমতী শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মীকে সক্রিয় হতে দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে উস্কানি দিয়েছে ক্ষুদে শিক্ষারর্থীদের ছাত্রদল এমন প্রমাণও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের কাছে রয়েছে।

এই আন্দোলনে বিএনপি নিজেদের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ খুজছে দুইভাবে। প্রথমত এই অান্দোলনকে ছলে বলে কৌশলে দীর্ঘায়িত করে মাঠে রাখা। এবং দ্বিতীয়ত, উত্তেজিত করে অর্ন্তঘাতমূলক এমন কিছু করা যেখান থেকে তারা ফায়দা তুলতে পারবে ঘরে।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করে জামায়াত-বিএনপি শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত। এই কাজে জামায়াত ও বিএনপির অপপ্রচারের দায়িত্বে থাকা একটি বিশেষ সেল কাজ করছে। তারা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যেতে নিষেধ করছে নানা প্রলোভবনে। একই সাথে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এমনভাবে কাজ করছে যাতে শিক্ষার্থীদের মা-বাবারা তাদের সাথে রাস্তায় থাকে। এতে করে তারা প্রমাণ করতে চাই যে, রাস্তায় এই দাবি প্রতি সব ধরনের মানুষের সমর্থন রয়েছে। যদিও শিক্ষার্থীদের সব দাবি সরকার এরই মধ্যে মেনে নিয়েছে।

দ্বিতীয়ত, রাস্তায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যদি চলতে থাকে এবং তাদের সাথে তাদের অভিভাবকরাও রাস্তাতে থাকে তাহলে তারা এই সুযোগে তাদের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন করবে। তখন তারা শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিবে পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকদের উপর আক্রমণের জন্য।

স্বাভাবিকভাবেই তাদের উপর আক্রমণ করলে তারাও এর পাল্টা ব্যবস্থা নিবে। এই সুযোগে কমপক্ষে ১০টা স্কুল শিক্ষার্থীদের লাশ ফেলতে তৎপর থাকবে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী। বিএনপির প্রত্যাশা অনুযায়ী এমন পরিস্থিতি যদি সত্যিই তারা সৃষ্টি করতে পারে তবে তখন তারা ১০জন স্কুল শিক্ষার্থীর লাশের উপর দাঁড়িয়ে বৃহত্তর পরিসরে সরকার পতনের ডাক দিলে রাস্তা সাধারণ মানুষও নেমে আসবে বলে তাদের বিশ্বাস।

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here