বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গত বুধবার (১১ জুলাই) ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে তিনি লন্ডন থেকে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি না নিয়ে লন্ডনের ফিরতি ফ্লাইটে উঠিয়ে দেয়।
লর্ড কারলাইকে যে কারনে ভারতে প্রবেশের বাধা দেয়া হয় সে বিষয়ে ভারতীয় এক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন- খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে কারলাইকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশে ১৭টা মামলার আসামি লন্ডনে পতালত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ভারত তারেককে তার দেশের জন্য হুমকি মনে করায় কারলাইলকে সেদেশে ঢুকতে দেয়নি। এছাড়া আর একজন ভারতীয় বিশ্লেষক বলেন, তারেক ইন্টার্পোল এফবিআই এর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এমন একজনের নিয়োগকৃত আইনজীবী কে সেদেশে ঢুকতে না দিয়ে ভাল করেছে ভারতীয় সরকার। এছাড়া তারেক রহমানের ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন দাউদ ইবরাহিমের ব্যবসা থাকায় এবং দাউদ ইব্রাহিমের সাথে তারেকের বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক থাকায় তারেক কে থ্রেড মনে করে ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স। তাই তারেকের নিয়োগকৃত আইনজীবী কে ভারতে প্রবেশ করতে দেয়নি সেদেশের নিরাপত্তা বিভাগ।
খোজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমানের সাথে পাকিস্তানের আইএসআই এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার ব্যাপারটা নিয়েও বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তারেকের নিয়োগকৃত আইনজীবী লর্ড কারলাইলকে সেদেশে ঢুকতে না দেয়ার এটাও একটা কারন হতে পারে বলে একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জেলে যাওয়ার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে লর্ড কারলাইলকে আইনি পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয় দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।